• শুক্রবার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৭

  • || ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

ষাট গম্বুজ বার্তা
১৩৫

ফেসবুকে প্রাধান্য পাবে গ্রুপের পোস্ট

ষাট গম্বুজ টাইমস

প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২০  

এখন থেকে ফেসবুকের নিউজ ফিডে বেশি করে পাবলিক ফেসবুক গ্রুপের কনটেন্ট দেখানো হবে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ গতকাল বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দিয়েছে।
এক ব্লগ পোস্টে ফেসবুকের অ্যাপ বিভাগের প্রধান ফিডজি সিমো লিখেছেন, তাঁরা এখন থেকে নিউজ ফিডে ফেসবুক পাবলিক গ্রুপে পোস্ট করা কনটেন্ট বেশি করে প্রচার করবেন। এর পাশাপাশি সার্চইঞ্জিনের ফলাফলেও গ্রুপের কনটেন্ট বেশি দেখানো হবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আগামী মাসে মার্কিন নির্বাচনের আগে ফেসবুকের অ্যালগরিদমভিত্তিক কনটেন্ট পরামর্শ সীমিত করার পরামর্শ দিয়েছিল বেশ কিছু পরিদর্শক সংস্থা। ফেসবুকের পক্ষ থেকে এসব পরামর্শ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

ফেসবুকে তাদের ব্লগ পোস্টে লিখেছে, নিউজ ফিডে কোনো পোস্ট বা লিংকের পাশে ‘রিলেটেড ডিসকাশনস’ হিসেবে পাবলিক গ্রুপের পোস্ট পরামর্শ হিসেবে দেখাবে। ফেসবুকের পক্ষ থেকে অ্যাপের বাইরেও বিভিন্ন ওয়েবসার্চের ফলাফল হিসেবে পাবলিক গ্রুপ পোস্টের বিভিন্ন আলোচনা দেখানো শুরু হবে।

ফেসবুকে এ পরিবর্তন কবে নাগাদ কার্যকর হবে, তা এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি। ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে সীমিত আকারে শিগগিরই নিউজ ফিডে গ্রুপের পোস্ট দেখানোর পরীক্ষা শুরু করবে ফেসবুক।

গত বছর থেকেই ফেসবুক তাদের কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রুপ পোস্টকে গুরুত্ব দিতে শুরু করে। এ ছাড়া তারা গ্রুপের জন্য নতুন মডারেশন টুল যুক্ত করার কথা জানিয়েছে। প্রায় সাত কোটির এ কমিউনিটির জন্য পোস্ট বাতিল করা, আলোচনা শুরু ও স্পনসরশিপ আয়োজনের বিষয়টিকে আরও সহজ করতে নতুন ফিচার আনা হচ্ছে।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ জানিয়েছে, ফেসবুক অ্যাপে এনগেজমেন্ট বা সক্রিয়তা বাড়াতে ফেসবুকের গ্রুপকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি সফল হিসেবে ধরা হচ্ছে। গত আগস্ট মাসে গ্রুপে পোস্ট ৩১ দশমিক ৯ শতাংশ বাড়তে দেখা গেছে। একই সময়ে সহিংসতা কার্যক্রম ছড়ানোর অভিযোগে বেশ কিছু গ্রুপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে ফেসবুক।

সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেসবুকের পক্ষ থেকে গ্রুপে অবাঞ্ছিত বিষয়বস্তু ছড়ানো রোধে নতুন টুল আনা হচ্ছে। তারা বলছে, বিশ্বের অর্ধেকের বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী পাঁচ বা তার বেশি সক্রিয় গ্রুপে যুক্ত থাকেন। প্রতি মাসে ১৮০ কোটি মানুষ গ্রুপে আসেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার ফেসবুকের গ্রুপ অ্যাডমিনদের নিয়ে আলোচিত এক ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে, গ্রুপে নতুন করে আনা পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। জানানো হয়, এখন থেকে নতুন গ্রুপ ও গ্রুপের কনটেন্ট খুঁজে পাওয়া সহজ হবে।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হচ্ছে গ্রুপের কনটেন্ট সামনে নিউজ ফিডে আনা। এ ছাড়া নিউজ ফিডে গ্রুপ খুঁজে পাওয়ার বিষয়টিও সহজ করা হবে। এ ছাড়া গ্রুপ ব্যবস্থাপনা সহজ করে ‘অ্যাডমিন অ্যাসিস্ট’ নামে বিশেষ ফিচার যুক্ত করা হচ্ছে।

গুগলের এবারের আয়োজন ছিল অনেকটা বিজ্ঞাপনের মতো। আধা ঘণ্টার মধ্যে আগে থেকে ধারণ করা ভিডিওতে বাজারে নতুন পণ্য ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে গতকাল বুধবার। এর মধ্যে ছিল নতুন দুটি স্মার্টফোন, টিভি ইন্টারফেস, ক্রোমকাস্ট ও স্মার্ট স্পিকার।

গুগলের নতুন স্মার্টফোন পিক্সেল ৫-এ যুক্ত হয়েছে রিভার্স ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি। মানে স্মার্টফোনটিকে তারহীন চার্জার হিসেবে ব্যবহার করে তা থেকে অন্যান্য ডিভাইস চার্জ করা যাবে। ডিসপ্লেটি ৬ ইঞ্চির। আর দাম ৬৯৯ ডলার। ১৫ অক্টোবর থেকে নয়টি দেশে পাওয়া যাবে পিক্সেল ৫।

পিক্সেল ৫-এর সঙ্গে ‘পিক্সেল ৪এ’র ফাইভ-জি সংস্করণ ছেড়েছে গুগল। আগের

সংস্করণের চেয়ে বেশ উন্নত করা হয়েছে এটি। দাম ৪৯৯ ডলার। শুরুতে জাপান, এরপর যুক্তরাষ্ট্র এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য দেশে পাওয়া যাবে পিক্সেল ৪এ। দুটি স্মার্টফোনেই ক্যামেরা উন্নত করা হয়েছে। পেছনে যুক্ত হয়েছে আলট্রাওয়াইড লেন্স।গুগলের নতুন টিভি ইন্টারফেসে ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা, লাইভ টিভি এবং অন্যান্য সেবা এক জায়গায় আনা হয়েছে। রিমোট কন্ট্রোলসমেত নতুন মডেলের ক্রোমকাস্টও আসছে। দাম ৪৯ ডলার।গুগল হোম নামের স্মার্ট স্পিকার বাজারে এনেছিল গুগল। সেটারই উত্তরসূরি নেস্ট অডিও। গুগলের ভাষায়, শব্দ জোরালো ও পরিষ্কার করা হয়েছে এতে। দাম ৯৯ ডলার। ৫ অক্টোবর থেকে বাজারে ছাড়া শুরু করবে গুগল।

তথ্যপ্রযুক্তিতে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়তে রাজধানীর একটি বেসরকারি আইটি প্রশিক্ষণদাতা প্রতিষ্ঠানে কোর্স শুরু করেছিলেন আশা মনি। করোনা পরিস্থিতির কারণে হঠাৎ করে প্রশিক্ষণ বন্ধ হয়ে যায়। তিনি ফিরে যান জেলা শহরে নিজের বাড়িতে। কিন্তু তাঁর প্রশিক্ষণ থেমে থাকেনি। বাড়িতে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে তিনি কোর্স সম্পন্ন করেছেন। ফেসবুক গ্রুপ ও ইউটিউবে কোর্সের ভিডিওগুলো দেখে নিজে চর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন। অনলাইনে কোর্স করেও প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে তাঁর সমস্যা হয়নি।

করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাইরে না গিয়ে ঘরে বসে এ শিক্ষা তার জন্য ভালো হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি। অনলাইনে যতটা শিখেছেন, তাতে চর্চার মাধ্যমে দক্ষতা আরও বাড়াতে পারবেন বলে আত্মবিশ্বাসী আশা।

অনলাইনে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, করোনা পরিস্থিতিতে বদলে গেছে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ খাত। স্কুল-কলেজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলোও বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক তরুণ শিক্ষার্থী ঘরে বসে সময় কাটাচ্ছেন। একে অনেকেই সুযোগ হিসেবে নিয়েছেন। ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করেছেন। আগে যেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তিন বা ছয় মাস করে গ্রাফিকস, এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কিংবা অন্যান্য দরকারি কোর্স সারতেন, এখন তাঁরা অনলাইনেই এসব কোর্স করছেন। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজটিকে আরও সহজ করেছে।করোনা পরিস্থিতিতে হঠাৎ করেই লকডাউনে ঘরবন্দী হয়ে পড়েন তরুণেরা। এ সময় তাঁদের যোগাযোগের মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায় অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন অ্যাপ ও যোগাযোগের মাধ্যম। ফোর-জি ইন্টারনেট সুবিধা বিস্তৃত হওয়ায় অনেকেই ঘরে বসে যোগাযোগের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তির কোর্সে আগ্রহ দেখিয়েছেন। হোয়াটসঅ্যাপ, জুম, গুগল মিটের মতো নানা মাধ্যম ব্যবহারের জন্য দ্রুতগতির ইন্টারনেট তাঁদের জন্য সহায়ক হয়েছে।

দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয় সফটওয়্যার খাতের বেসরকারি সংগঠন বেসিসের ট্রেনিং ইনস্টিটিউট বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির বলেন, এখন প্রযুক্তিগত নানা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তরুণ ও যুবকেরা। আগে ক্লাসে বসে প্রশিক্ষণ নিতেন অনেকেই। তাঁদের প্রশিক্ষণগুলো এখন সব অনলাইনকেন্দ্রিক। বর্তমানে ৩০০ জনের বেশি প্রশিক্ষণার্থী তাঁদের অনলাইন প্রশিক্ষণে যুক্ত রয়েছেন। ঘরে বসেই তাঁরা শিখছেন ফেসবুক মার্কেটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, এসইও, অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের মতো নানা বিষয়। এসব কোর্স তাঁরা অর্থ খরচ করে শিখছেন। কিন্তু সুবিধা হচ্ছে, ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে এবং অনেক কম খরচেই তাঁরা অনলাইনে এসব কোর্স করতে পারছেন।

সাব্বির বলেন, বর্তমানে সব প্রশিক্ষণকেন্দ্র বন্ধ। তাই শিক্ষার্থীরা অনলাইন মাধ্যমকে বেছে নিচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের সাশ্রয়ী খরচ তাঁদের জন্য সুবিধা দিচ্ছে। ইন্টারনেট সুবিধার কারণে অনলাইন প্রশিক্ষণ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

ঘরে বসে অনলাইনে কোর্স করার সুবিধা দেয় ইনস্ট্রাক্টরি। এর প্রশিক্ষক ও ফ্রিল্যান্সার সুলতানা পারভীন বলেন, করোনার সময়ে অনলাইনভিত্তিক কোর্সের চাহিদা ব্যাপক বেড়ে গেছে। অনেকেই এখন অনলাইনে দরকারি কোর্সের খোঁজ করছেন এবং সে অনুযায়ী দক্ষতা বাড়াতে কাজ করছেন। হঠাৎ করেই সরাসরি প্রশিক্ষণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর চাহিদা বেড়ে গেছে। হাজারো শিক্ষার্থী দেশে ও দেশের বাইরের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে দরকারি কোর্স করছেন।

তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয় অনলাইনে প্রশিক্ষণদাতা কোডার্সট্রাস্ট-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আতাউল গনি ওসমানী বলেন, তাঁদের অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত ফিজিক্যাল কোর্স করতেন। কিন্তু করোনার কারণে ফিজিক্যাল কোর্স বন্ধ হয়ে গেছে। এখন অনলাইনেই তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ে কোর্স করছেন অধিকাংশ শিক্ষার্থী। তরুণেরা এখন নতুন নতুন বিভিন্ন বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এর মধ্যে গ্রাফিকস, ওয়েব ডেভেলপমেন্টের পাশাপাশি রয়েছে এক্সেলের বিভিন্ন কাজ। তাঁরা এসব প্রশিক্ষণ অনলাইনে করতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলা শহর থেকেও এসব প্রশিক্ষণে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। এসব সম্ভব হয়েছে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবার কারণেই। ইন্টারনেটের কারণেই ঘরে থাকার সুযোগটাকে কাজে লাগাচ্ছেন তাঁরা। অর্জন করছেন বিভিন্ন দক্ষতা।

অনলাইনে তথ্যপ্রযুক্তির প্রশিক্ষণদাতারা বলছেন, অনলাইনে এখন সবচেয়ে বেশি আগ্রহের বিষয় দাঁড়িয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিকস ডিজাইন, অ্যাকাউন্টিং, ওয়েব ডিজাইনের মতো বিষয়গুলো। এসব কোর্স করতে অনলাইনেই আবেদন করা যায়।

কোর্সের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ভিডিওগুলো পরে আবার অনলাইনে দেখার সুযোগ থাকে। তবে ঘরে বসে প্রশিক্ষণ পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তই হচ্ছে দ্রুতগতির ইন্টারনেট। দেশে ফোর-জি ইন্টারনেট সুবিধা তথ্যপ্রযুক্তির প্রশিক্ষণের বিষয়টিকে আরও সহজ করেছে বলে মনে করছেন প্রশিক্ষণদাতারা।

আমাজনের কোনো স্টোরে কেনাকাটা করতে গেলে অর্থ পরিশোধের জন্য বিশেষ যন্ত্রে হাতের তালু দেখালেই লেনদেনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ইতিমধ্যে ই-কমার্স খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাজন ওয়ান নামের এ স্পর্শহীন লেনদেনসুবিধা চালু করেছে। সিএনএন এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায়।

আমাজন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের আমাজন ওয়ান সেবাটি দ্রুত, সুবিধাজনক ও স্পর্শহীন উপায়ে হাতের তালু ব্যবহার করে সেবা দিতে পারবে। এতে স্টোরে অর্থ পরিশোধ, স্টেডিয়ামে ঢোকা, ছাড়ের সুবিধা নেওয়ার মতো কাজগুলো সহজেই করা যাবে।

এ প্রক্রিয়া অনেকটাই ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ার মতো। তবে এ ক্ষেত্রে আমাজন পুরো হাতের তালু ব্যবহার করবে। আমাজন হাতের তালু স্ক্যান করেই ক্রেতার পরিচয় শনাক্ত করতে পারবে।

ইতিমধ্যে সিয়াটলে আমাজন গো স্টোরে ঢোকার সময় আমাজন গো ব্যবহার করতে পারেন গ্রাহকেরা। এ স্টোরে হাতের তালু দেখিয়ে অর্থ পরিশোধের সেবা চালু করার জন্য নিবন্ধন করার সুবিধা রয়েছে।

এ সুবিধা ব্যবহার করতে পিওএস মেশিনে ক্রেডিট কার্ড ঢোকাতে হয়। এরপর এর ওপর হাত নাড়িয়ে নির্দেশনা অনুসরণ করতে হয়। আমাজনের ব্লগ পোস্টে বলা হয়, একবার আমাজন ওয়ান ব্যবহারের জন্য নিবন্ধন করা হলে আমাজন ওয়ান ডিভাইসের ওপর ঢোকার সময় হাত দেখালে মুহূর্তেই ক্রেতা শনাক্ত হয়ে যাবে। এটি খুবই সহজ একটি পদ্ধতি।

আমাজন ওয়ান পেমেন্ট শুধু আমাজন ওয়ান স্টোরে থাকবে না, অন্য স্টোর ও জায়গায়ও এটি চালু হবে। এতে আমাজন অ্যাকাউন্ট লাগবে না। কেবল মুঠোফোন নম্বর ও ক্রেডিট কার্ড হলেই চলবে।

ফিঙ্গারপ্রিন্টের বদলে হাতের তালু কেন? আমাজন বলছে, একটি কারণ হচ্ছে হাতের তালুকে অন্য বায়োমেট্রিক বিকল্পের তুলনায় আরও ব্যক্তিগত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হাতের তালুর ছবি দেখে কেউ ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে পারে না। এ ক্ষেত্রে ডিভাইসের ওপর হাতের বিশেষ ভঙ্গিমা করতে হয়। এটা স্পর্শহীন বলে গ্রাহকেরা এর প্রশংসা করবেন। বর্তমান সময়ে এটি জনপ্রিয় হবে।

ষাট গম্বুজ বার্তা
ষাট গম্বুজ বার্তা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর