• মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৯ ১৪২৭

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪১

ষাট গম্বুজ বার্তা
৮৯৩

মাদারীপুরের ১১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ

ষাট গম্বুজ টাইমস

প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল ২০২০  

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত ছুটি চলছে সারাদেশে। তবে করোনা ভাইরাস রোধে বেশ কিছু সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীকে নিয়ে গঠন করা হয়েছে প্রতিরোধ কমিটি।  এ নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার বিভিন্ন দফতরের ১১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এ কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিবের কাছে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এর আগে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে এ কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতির কথা জানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার রোধকল্পে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির সময় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও আওতাধীন দফতর/সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থল ত্যাগ না করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কিন্তু নির্দেশনা অমান্য করে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় কর্মরত ১১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়, তাদের উপজেলা কন্ট্রোলরুমে ও ইউনিয়ন ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। তাদের অনুপস্থিতির কারণে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ কার্যক্রমসহ শিবচর উপজেলার অন্যান্য সরকারি কর্মসূচিসমূহ বাস্তবায়ন বিঘ্নিত হচ্ছে। এ সব অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

এই অবস্থায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।


শিবচরে অনুপস্থিত থাকা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার শ্যামল কৃষ্ণ মালাকার, উপজেলা সমবায় অফিসার মো. জহিরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. হারুন-অর-রশিদ, সাব-রেজিস্ট্রার মো. আ. মতিন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার সত্য রঞ্জন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রফিকুল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলী এ কে এম আসাদ, উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মো. মোশারফ হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক এমারত হোসেন ও সহকারী হিসাবরক্ষক অসীম বালা।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং কৃষি মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগের সচিবের কাছে ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

করোনাভাইরাসের কারণে সরকার প্রাথমিকভাবে গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে। পরে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় দুই দফায় ছুটি ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
 

ষাট গম্বুজ বার্তা
ষাট গম্বুজ বার্তা
আঞ্চলিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর