• মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৯ ১৪২৭

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪১

ষাট গম্বুজ বার্তা
২৪১০

সাড়ে ১২ হাজার পরিবারে ত্রাণ পৌঁছে দিলেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী

ষাট গম্বুজ টাইমস

প্রকাশিত: ২৯ মার্চ ২০২০  

শরীয়তপুরে করোনা প্রতিরোধে ঘরে বন্দি সাড়ে ১২ হাজার দুঃস্থ পরিবারের বাড়ি বাড়ি ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিলেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম। তার মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত বেগম আশ্রাফুন্নেছা ফাউন্ডেশন ও মন্ত্রীর ব্যকিগত তহবিল থেকে আজ রবিবার দুপুরে শরীয়তপুরের নড়িয়ার মুলফৎগঞ্জ এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তিনি এ ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

তিনি বলেন, এ ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম অব্যহত থাকবে। অপর দিকে সরকারের পক্ষ থেকেও আলাদা ভাবে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম করা হচ্ছে।

ব্যক্তিগত ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ চলাফেরা বন্ধ করে সাধারণ মানুষকে ঘরে অবস্থান করতে বলা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। তারই প্রেক্ষিতে গত চারদিন যাবত প্রতিদিন খেটে খাওয়া মানুষ ঘরে বন্দি রয়েছেন। ফলে তাদের খাদ্য সংকটের আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশে দুঃস্থদের তালিকা করে এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয় এবং তার ব্যক্তি উদ্যোগেও নড়িয়া ও সখিপুরের ২৫টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় প্রায় সাড়ে ১২ হাজার পরিবারকে এ ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিটি পরিবারকে ৫ কেজি করে চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি লবণ, একটি মাস্ক ও একটি করে সাবান দেওয়া হয়। সংকট চলাকালীন সময় পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান এ কে এম এনামুল হক শামীম।

এদিকে শনিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত জেলায় ৩১৩ জন প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. আব্দুর রশিদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৩ জন হোম কোয়ারেন্টিনের আওতায় এসেছেন।

জেলার জাজিরা উপজেলায় এক নারীকে আইসোলেশন কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টিনে কেউ নেই। এখনো পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাস আক্রান্ত কেউ শনাক্ত হয়নি। জেলায় ৩০টি আইসোলেশন শয্যা ও ১৫০টি কোয়ারেন্টিন শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন এস এম আব্দুল্লাহ আল মুরাদ বলেন, এক নারী শনিবার সন্ধ্যায় জ্বর ও কাশি নিয়ে জাজিরা হাসপাতালে আসলে সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আইসোলেশন কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। ওই নারী সর্দি, কাশি ও জ্বরে কয়েকদিন যাবত ভুগছিলেন। এ নিয়ে হাসপাতালে আসলে তার রক্তের নমুনা (আইইডিসিআর) কাছে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে করোনার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এ ছাড়াও করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে জেলার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতে বিভিন্ন হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাট ও জনসমাগমস্থলে জীবাণুনাশক ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত করছেন জেলা পুলিশ, পৌরসভা ও সেনাবাহিনী। 

ষাট গম্বুজ বার্তা
ষাট গম্বুজ বার্তা
জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর