• বৃহস্পতিবার   ০৬ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ২১ ১৪২৯

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

ষাট গম্বুজ বার্তা

বাগেরহাটে মাছের ঘেরের পাড়ে বারোমাসি তরমুজ চাষ

ষাট গম্বুজ টাইমস

প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২  

বাগেরহাট সদর উপজেলার বড়বাশ বাড়িয়া গ্রামের আলকাস শেখ প্রথমবারের মতো তার মাছের ঘেরের পাড়ে বারোমাসি সবুজ তরমুজ চাষ করেছেন। অল্প সময় ও কম খরচে অধিক ফলন হওয়ায় লাভবান হবার আশা তার।
গত জুনে ৬০০ তরমুজ বীজ রোপণ করেন আলকাস শেখ। মাত্র ৪ মাসের মাথায় সেপ্টেম্বর থেকে পরিপক্ক তরমুজ বিক্রি শুরু করেছেন তিনি। ৩ থেকে ৪ কেজি ওজনের প্রতিটি তরমুজ ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এবিষয়ে চাষি আলকাস শেখ বলেন, ৬০০ তরমুজ গাছ লাগিয়েছি। এতে ভালোই ফলন হয়েছে। এক একটি তরমুজের ওজন ৪ থেকে ৫ কেজি। ফলে আমি বেশ উপকৃত হয়েছি। আগামীতে আমি আরও ব্যাপক আকারে তরমুজ চাষ করার চেষ্টা করব।

জেলার চারদিকে লবণ পানি হওয়ায় তরমুজের ফলন ভালো হচ্ছে। এলাকার অনেক কৃষক তার দেখাদেখি এ সুস্বাদু ও রসালো ফল চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। এবিষয়ে স্থানীয় এক কৃষক বলেন, ঝুলন্ত তরমুজ দেখতে বেশ ভালো লাগে। তরমুজের ফলনও ভালো হয়েছে। এর পাশাপাশি খেতেও বেশ মিষ্টি। এছাড়া অসময়ের তরমুজগুলোর দামও ভালো। বাজারে এক একটি তরমুজ বিক্রি করে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়। আলকাস আলীর দেখাদেখি আমিও আগামী বছর তরমুজ চাষ করব।

তরমুজ চাষে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কৃষি উপকরণ দিয়ে সহায়তা করছে কৃষি বিভাগ। এবিষয়ে বাগেরহাট সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সাদিয়া সুলতানা বলেন, আমরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আওতায় জিকেবিএসপি ও সিসিএফ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রদর্শনী করার পাশাপাশি কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছি। যদিও বৃষ্টিপাত তুলনামূলক কম, কিন্তু আমরা দেখছি যে কৃষক ভালো ফলনের পাশাপাশি ভালো দামও পাচ্ছেন। আশা করি, পরের বছর এ ফলের চাষাবাদ বাড়বে এবং আরও জনপ্রিয় হবে।

উল্লেখ্য, জিকেবিএসপি ও সিসিএফ নামের দুইটি প্রকল্পের আওতায় সদর উপজেলায় ১৭টি প্রদর্শনী খামারে ১০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হচ্ছে। প্রতি হেক্টর জমিতে ৩৫ মেট্রিক টন তরমুজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ষাট গম্বুজ বার্তা
ষাট গম্বুজ বার্তা