ব্রেকিং:
আশুগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত
  • শুক্রবার   ২২ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৭ ১৪২৮

  • || ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ষাট গম্বুজ বার্তা
সর্বশেষ:
পীরগঞ্জে হামলার ঘটনায় আরো ১১ জন গ্রেপ্তার রাতে আসবে সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ টিকা বাগেরহাটসহ ২৬ জেলায় পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

‘মাইনাস থ্রী’ চান বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা

ষাট গম্বুজ টাইমস

প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১  

বিএনপিকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে ‘মাইনাস থ্রী’ চান তৃণমূলের নেতা কর্মীরা। তারা মনে করছেন, দলের অভ্যন্তরে দ্রুত সংস্কার অভিযান চালিয়ে তারেক রহমানসহ আগাছা পরগাছা ধরণের নেতাদের বাদ না দিলে আগামীতে কখনোই রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বিএনপির। তাছাড়া জামায়াত কানেকশান ও তথাকথিত জাতীয়তাবাদের নামে জঙ্গীবাদের দর্শন থেকে সরে না আসলে অচিরেই জাতীয় রাজনীতিতে বিএনপির কোনো নাম নিশানাই থাকবে না। বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

মাইনাস ১ (তারেক রহমান)

তারেক রহমান বিএনপির ঐক্যের প্রতীক হিসাবে দ্বিতীয় ব্যক্তি হলেও এখন তিনি দলটির জন্য সাদা হাতি। তারেক রহমানকে নেতা বানাতে গিয়েই বিএনপি আজ খাদের কিনারায়। ২০০১ সাল থেকে তারেক রহমানের বিএনপির নেতা হওয়া, জামায়াত শিবিরের সাথে তারেক রহমানের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক ও প্যারালাল সরকার পরিচালনা করার খেসারত বিএনপি আজকে দিচ্ছে। বিএনপির সাথে জামায়াত ইসলামের সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তারেক রহমান। ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশের জঙ্গিবাদের প্রসারও ঘটেছিল তারেক রহমানের সমর্থনে। লন্ডন যাওয়ার পর তারেক রহমান আর বিএনপির নেতা থাকেননি। দৃশ্যত তিনি এখন জামায়েত ইসলামের মুখপাত্র। ইচ্ছে করলেই তারেক রহমান জামায়েত শিবিরের খাঁচা থেকে বের হতে পারবে না। তার পিছনে রয়েছে জামায়াত শিবিরের মোটা অংকের আর্থিক বিনিয়োগ। এ াবস্থায় বিএনপির নেতা কর্মীরা মনে করেন তারেক রহমান ও তার অনুসারীদের যত দ্রুত দল থেকে বের কওে দেয়া যায়. দলের জন্য ততোই তা মঙ্গলের।

মাইনাস ২ (জামায়াত-শিবির)

জামায়াত শিবির একটি যুদ্ধাপরাধীর দল। এটি আইনত প্রমাণিত। তারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি। দলটির অনেক নেতার যুদ্ধাপরাধের কারণে ফাঁসি হয়েছে। স্বাধীনতার পরে দুই দশক ইতিহাস বিকৃত করে ও নানান কাঠামতে এই যুদ্ধাপরাধী দলটিকে প্রণোদনা দিয়ে রাজনীতি দলটিকে জিঁইয়ে রাখা হয়েছিল। গত দশ বছরের দেশের কয়েকটি প্রজন্ম স্বাধীনতার ইতিহাসটি পরিপূর্ণভাবে জানতে পেরেছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াত ইসলামের যে সম্ভাবনা আগে দেখা যেত, সেই সম্ভাবনার বীজটি গত দশ বছরে ধস হয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও জামায়েত ইসলাম একটি জঙ্গি সংগঠন হিসাবে পরিচিত। সংগঠনটি মিশরের ব্রাদারহুডের ক্লোন। জামায়েত ইসলাম পরিপূর্ণভাবে একটি ফ্যাসিস্ট শক্তি। জামায়াত ইসলাম খুব কৌশলে তারেক রহমানকে বিতর্কিত করেছে। বিএনপি যতই অগোছালো থাকবে, তাতে জামায়েত ইসলামের লাভ। আন্তর্জাতিক কোনও দেশের সমর্থন বিএনপির না পাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হল জঙ্গি জামায়াত শিবির। ভবিষ্যতেও যে সমর্থন পাবে না এটি হলফ করেই বলা যায়। বিএনপির উচিত জামায়াত শিবিরকে জোট থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া।

 মাইনাস ৩ (জঙ্গিবাদ)

বিএনপির রাজনীতির দর্শন, চিন্তা চেতনা ও আদর্শের জায়গাতে জঙ্গিবাদের সমর্থনের একটি স্থান আছে। জিয়াউর রহমানের সময়ই প্রথম একটি দেশিয় ও আরেকটি পাকিস্তানের সংগঠন বাংলাদেশে প্রথম জঙ্গি মিছিল করেছিল। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির বহুমন্ত্রী, এমপি, মেয়র ও বিএনপির প্যারালাল সরকারের হাওয়া ভবন জঙ্গিবাদের সাথে জড়িত ছিল। বিএনপি যতই অস্বীকার করুক, বিষয়গুলি দেশি-বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে ওপেন সিক্রেট। কাজেই তারেক ও তার অনুসারী এবং জামায়াতকে বাদ দেয়ার পাশাপাশি জঙ্গিবাদ থেকেও বিএনপিকে সরে আসতে হবে।

ষাট গম্বুজ বার্তা
ষাট গম্বুজ বার্তা