• সোমবার   ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৪ ১৪২৯

  • || ১৫ রজব ১৪৪৪

ষাট গম্বুজ বার্তা

চিতলমারীতে মানব কল্যাণে একজন সাদা মনের মানুষ হারাধন

ষাট গম্বুজ টাইমস

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২৩  

মানুষকে সহযোগিতা করা, মানুষের দুঃখ কষ্টকে নিজের মত করে ভাবা, পরের বিপদে পাশে দাড়ানো, নিজের কথা চিন্তা না করে অন্যের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা, এমনই একজন সাদা মনের মানুষ যিনি। হারাধন মন্ডল ওরফে গোবর্ধণ কবিরাজ। 

জন্মস্থান বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার গঙ্গাচন্না গ্রামে। পিতার নাম স্বর্গীয় যদুনাথ মন্ডল। স্ত্রী,দুইকন্যা ও দুই পুত্র সন্তারেনর জনক তিনি। ৮০ বছরের হারাধন মন্ডল স্বর্গীয় পিতা যদুনাথ কবিরাজের পথ অবলম্বনে ১৯৭১ সাল থেকে বাবার কবিরাজি পেশাকে ধরে রেখেছেন। তিনি লিভার ও জন্ডিস রোগীদের ব্যবস্থাদেন। ঔষুধি গাছ-গাছড়া দিয়ে তিনি রোগ নিরাময় করে থাকেন। ফলে দেশের বিভিন্ন প্রন্তথেকে সাধারন নারী-পুরুষ ছুটে আসেন তার বাড়ীতে। সরেজমিনে জানা গেছে হারাধন কবিরাজের ওষুধ সেবনে অধিকাংশ রোগির রোগ নিরাময় হয়েছে এবং হচ্ছে। অত্যন্ত সদালাপী, পরোপকারী ও সর্বজন গ্রহনযোগ্য এইবৃদ্ধ কবিরাজি পেশা কালিন রোগীর কাছ  থেকে বাধ্যতামূলক কোন অর্থ আদায় করেননা। খুশীমনে যে যাই কিছুদেন তার কিয়াদাংশ ধর্মীয় কাজে এবং প্রতি বছরে দুইবার হিন্দু ধর্মীয় মহোৎসবে ব্যায় করেন। গত ১৬ জানুয়ারী একান্ত সাক্ষাতকালে হারাধন তার কৈশোর, শৈসব ও বৃদ্ধ বয়াসের  স্মৃতিগাঁথা তুলে ধরেন। এ সময় তার পাশে ছিলেন নাতী-নাতনী, পুত্রবধু এবং এলাকার সাধারন মানুষ। হারাধন বলেন, আমাদের জীবন থেকে যে দিনটি চলে গেছে তা আর ফিরে আসবেনা। তাই বেশীবেশী শ্রষ্টাকে স্মরণ করতে হবে। তিনি যৌবনে যাত্রাভিনয় করতেন। বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ও সামাজিক কর্মকা-ে তার যত সামান্য সহযোগিতার হাত রয়েছে। নিরামিষ ভোজি হারাধন মন্ডল গোলাপ ফুল ভালোবাসেন। আবসর সময় নাতী-নাতনীও পুত্রবধুদের  কন্ঠে ধর্মীয় গান শ্রবণ করেন। পরিশেষে আধো-আধো কন্ঠে তিনি একটি বান্ধাগান পরিবেশন করেন। যে গানটি হলো: প্রাণের বান্ধবরে আর কতকাল রাখবা তুমি দুরে, ভবেতে আসিয়া, বিপদে পড়িয়া তোমাকে ছাড়িয়া আছিরে।

ষাট গম্বুজ বার্তা
ষাট গম্বুজ বার্তা