• শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৭ ১৪৩১

  • || ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

ষাট গম্বুজ বার্তা

দেলোয়ার হোসেইন সাঈদীর আন্তর্জাতিক খ্যাতির নমুনা

ষাট গম্বুজ টাইমস

প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট ২০২৩  

দেলোয়ার হোসেইন সাইদীকে নিয়ে আল জাজিরায় প্রচারিত প্রতিবেদন

ইংল্যান্ডের পত্রিকায় সাঈদীকে জানোয়ার বলে উল্লেখ করলোঃ

ধর্ষক, লম্পট, খুনী দেইল্লা রাজাকার শুধু দেশেই অপরাধ করে ক্ষান্ত হয়নি। এই হারামজাদা ইংল্যান্ডে গিয়েও দেশের ১২টা বাজিয়ে দিয়ে এসেছিলো ২০০৬ সালে। ইসলাম ধর্মের কথা বলে সেখানে এই ধর্মকে সবার সামনে হেয় করেছিলো দেইল্লা। সে সময় সাঈদী বলেছিলো “ইংল্যান্ডে ও আমেরিকায় বোমা মারা একদম সঠিক। ইংল্যান্ড বোমা খাওয়া ডিজার্ভ করে” তখন ইংল্যান্ডের বিখ্যাত ট্যাবলয়েড সাঈদী কে নিয়ে The Sun একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে ১৫-ই জুলাই ২০০৬ সালে। লেখাটির শিরোনাম ছিলো- Ban this beast and Kill Brits Hate Cleric let into UK, এখানে সাঈদীকে “জানোয়ার” হিসেবে অভিহিত করা হয়।

ইংল্যান্ডের পত্রিকা “দি মেইল” ও “দি টাইমসে” ওই একই সময় নিয়ে সাঈদী রিপোর্ট করেছে। সেখানেও এই মৌলবাদীকে নিয়ে নেতিবাচিক রিপোর্ট করেছে বৃটিশ পত্রিকাগুলো। নীচে দেখুন সেগুলো-

দি মেইলে-

দি টাইমসে-

সাঈদীকে জুতাপেটাঃ লন্ডন ও কানাডায়

১৯৯৯ সালে সাঈদী লন্ডনে বসবাসরত সিলেটী অভিবাসী সাধারণ নাগরিকদের কাছে জুতাপেটার মুখোমুখি হয়। ১৯৯৯ সালের ১৫-ই জুলাই সাঈদী ওল্ডহামের কুইন এলিজাবেথ হলের এক সভায় বলে যে সিলেটি সম্মানিত অধিবাসীরা লন্ডনে যদি না আসত তবে বাংলাদেশে তারা নাকি রিকশাচালক হোতো কিংবা ড্রাইভার হোতো। সেই সাথে সাঈদী আরো বলে যে, এইখানকার তরুনীরা ইউনিভার্সিটি যাবার নাম করে কি করছে তা তাদের অভিভাবকেরা নাকি খোঁজ নেন না। সাঈদী আরো বলে যে এই লন্ডনের মেয়েরা নাকি খুবই পাতলা কাপড় পড়ে যাতে তাদের শরীর দেখা যায় এবং এইসব কাপড় নাকি হিন্দু মেয়েরা পরে না। সাঈদী আরো বলে যে এই দেশের ৯০ ভাগ মেয়েদের নাকি বয় ফ্রেন্ড আছে বলে তার কাছে তথ্য আছে।

সভাতে এইসব কথা বলার সাথে সাথেই সাঈদীর ওয়াজ শুনতে আসা ধর্মপ্রাণ ব্যাক্তিরা সাঈদীর দিকে জুতা ছুঁড়ে মারে এবং সাঈদীকে মারতে উদ্যত হয়। এসময় জামাত-শিবিরের কর্মীরা সেখান থেকে সাঈদীকে রক্ষা করে।

এই ঘটনার কিছুদিন পর সাঈদী একটা সংবাদ সম্মেলন ডাকে এবং সেখানে বলে, সে যা বলেছে ঠিক বলেছে। ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসেনা। দেখুন নীচের ছবিগুলোঃ

এই ঘটনাটি পরবর্তীতে সাংবাদিক মোহাম্মদ শাহজাহান লিখেন লন্ডনের সাপ্তাহিক সুরমায় ২৬ শে আগস্ট ১৯৯৯ সালে। এই ঘটনার পর সাঈদীকে রাতের আঁধারে চুপিশারে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে ২০০৬ সালে আবার লন্ডনে এসে সাঈদী ইংল্যান্ড এবং আমেরিকা নিয়ে কটুক্তি করে এবং এই দুইটি দেশ বোমা হামলা ডিজার্ভ করে ২০০১ সালে এমন কথার প্রেক্ষিতে ইংলিশ মিডিয়া সাঈদীর ভিসা বাতিলের আবেদন জানায়।

এইদিকে সাঈদীকে কানাডার টরেন্টোতে জুতাপেটা করা হয় ২০০৪ সালে, আসুন আনোয়ার হোসেন মুকুলের নীচের রিপোর্টটি পড়িঃ

নাহার মনিকা ছবিটিকে বর্ণনা করেছেন এভাবে-

সময়টা ২০০৪ সাল। সাঈদী মন্ট্রিয়ালের মসজিদে ওয়াজ-মাহফিল করতে এলে আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। তার ওপরে জুতাও ছুড়ে মারা হয়েছিল। আমাদের মেয়ে চারণ-চিত্রণ স্লোগান শিখেছিল- ‘সাঈদীর দুই গালে জুতা মারো তালে তালে’… সেই প্রথম স্লোগান আর ভুললো না।

 সাঈদীর অপরাধের অস্বীকার এবং পিরোজপুরের জনতার জবাবঃ

ব্লগার এই আমি যাত্রীর একটি লেখা থেকে জানা যায় যে- ১৯৯৭ সালের ২৬শে অক্টোবর দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় এ সংবাদ টি ছাপা হয়।রাজাকার সাইদি বলেছিল, “তিনি রাজাকার কেউ প্রমান করতে পারবে না।” এরই প্রেক্ষিতে পিরোজপুরের ৪টি এলাকার মানুষ প্রমানসহ বলেন “সাইদী ছিল ভয়ঙ্করতম রাজাকার”

এলেমের অভাবে সৌদি আরবে ক্ষমা প্রার্থনা ও মধ্যপ্রাচ্যে নিষিদ্ধ সাইদী

কৃতজ্ঞতাঃ ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড দি সান থেকে। লন্ডনের ঘটনা গুলো জানবার এবং সকল পেপার কাটিং দেবার জন্য অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা প্রখ্যাত সাংবাদিক সৈয়দ আনাস পাশা ভাই এবং সুরমা পত্রিকার সাংবাদিক জনাব মোঃ শাহজাহান।

ষাট গম্বুজ বার্তা
ষাট গম্বুজ বার্তা