• শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৭ ১৪৩১

  • || ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

ষাট গম্বুজ বার্তা

মগজে ‘চিপ’ বসাতে রাজি হাজারো মানুষ

ষাট গম্বুজ টাইমস

প্রকাশিত: ১২ নভেম্বর ২০২৩  

বিলিয়নিয়ার উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের ব্রেইন-ইমপ্লান্ট স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠান নিউরালিংক মস্তিষ্কে চিপ বসানোর কাজে বেশ এগিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি ইচ্ছুক ব্যক্তিদের খোঁজ চালাচ্ছে। তাদের ব্রেনে চিপ বসিয়ে চলবে বেশ কিছু পরীক্ষানিরীক্ষা। চিপের সঙ্গে থাকবে ইলেকট্রোড। সবশেষে কিছু তারের সংযোগ করা থাকবে খুলির ভেতর।

রয়টার্স বলছে, ২০২২ সালের গোড়ার দিকে নিউরালিংক সংস্থাটি এফডিএ’র অনুমোদন চেয়েছিল। সে সময় নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হয়। তবে চলতি বছরের মে মাসে যথোপযুক্ত কারণ দেখাতে পেরেছে নিউরালিংক। সেই পর্ব চুকে এবার প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করছে প্রতিষ্ঠানটি।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, এবার নিউরালিংকের প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হলো। নিউরোলিংক এমন মানুষ খুঁজছে, যারা নিজেদের মস্তিষ্কে স্বচ্ছন্দে কারিকুরি করতে দেবেন।

কীভাবে করা হবে পুরো প্রক্রিয়া? নিউরালিঙ্ক বলেছে, কাজটি রোবটের সাহায্যে করা হবে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী রোবটই ব্রেনে চিপটি বসিয়ে দেবে। রোবটের কাজ হয়ে গেলে কম্পিউটার করবে বাকি কাজ। খুলির কিছুটা অংশ অবশ্য থাকবে না। বরং তার জায়গায় বসানো হবে একটি কম্পিউটার। ছোট্ট চৌকো অংশজুড়ে থাকবে ওই কম্পিউটারের মতো যন্ত্র। কম্পিউটারটি আরো কয়েক বছর সেখানেই থাকবে।

ওই কম্পিউটারের কাজ কী? নিউরালিঙ্ক জানাচ্ছে, কম্পিউটারটিই কাজ পর্যবেক্ষণ। যার মস্তিষ্কে ওটি লাগানো, তার কার্যকলাপ নজরে রাখবে কম্পিউটার। সারাদিন তার মস্তিষ্ক কী কী ভাবছে বা করছে সেটা দেখবে। এই সংক্রান্ত সকল তথ্য সংগ্রহ করবে। সেই তথ্য পাঠিয়ে দেবে একটি ট্যাবলেট বা ল্যাপটপে। সেখানেই সব সংরক্ষিত থাকবে। 

জানা গেছে, এরই মধ্যে হাজারেরও বেশি আবেদন জানিয়েছে‌। ওষুধ তৈরির নতুন পন্থা হতে পারে নিউরালিঙ্কের গবেষণা। আবেদন চলছে এখনও। তবে আবেদন জানানোর বেশ কিছু শর্ত ঠিক করেছে মাস্কের সংস্থা। তার মধ্যে অন্যতম হল বয়স। ৪০ বছরের কমবয়সি এমন কাউকেই বেছে নেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ব্রেনের চারটি লিম্বে প্যারালাইসিস থাকতে হবে।

২০১৬ সালে প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক নিউরালিংক প্রতিষ্ঠা করেন; মানুষের মস্তিষ্ককে কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করে দৃষ্টিশক্তি, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধকতা, বিষণ্নতা, সিজোফ্রেনিয়া, স্থূলতা ও শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে।

ষাট গম্বুজ বার্তা
ষাট গম্বুজ বার্তা